নেটফ্লিক্স ৭২ বিলিয়ন ডলারে ওয়ার্নার ব্রাদার্স ডিসকভারি–এর চলচ্চিত্র ও স্ট্রিমিং ব্যবসা কিনে নিচ্ছে—এ খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিশ্বব্যাপী শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এ অধিগ্রহণের ফলে নেটফ্লিক্সের সঙ্গে যুক্ত হবে এইচবিও, এইচবিও ম্যাক্স, ‘গেম অব থ্রোনস’, ‘হ্যারি পটার’, ডিসি ইউনিভার্সসহ শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী কনটেন্ট লাইব্রেরি।
নেটফ্লিক্স বলছে, ওয়ার্নারের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির চর্চা বজায় রাখা হবে। দুই প্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা এটিকে “বিনোদন জগতের বড় দিন” বলে অভিহিত করেছেন। চুক্তিটি নগদ ও শেয়ারের সমন্বয়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং নেটফ্লিক্সের দাবি—এ সংযুক্তি ভবিষ্যতের গল্প বলার ধরন বদলে দেবে।
তবে লেখক সংগঠন রাইটার্স গিল্ড অব আমেরিকা, স্যাগ-আফট্রা, সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেনসহ বিভিন্ন শিল্প সংগঠন গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। তাদের আশঙ্কা, এ অধিগ্রহণ চাকরি কমাবে, মজুরি কমবে, কনটেন্টের বৈচিত্র্য হ্রাস পাবে এবং স্ট্রিমিং বাজারে নেটফ্লিক্সের একচেটিয়া ক্ষমতা তৈরি করবে। সিনেমা হল মালিকরাও বলছেন, ভবিষ্যতে ওয়ার্নারের বড় বাজেটের ছবি সরাসরি স্ট্রিমিংয়ে গেলে হল ব্যবসা বড় ধাক্কা খাবে।
শিল্প–বিশেষজ্ঞদের চোখে এটি হচ্ছে বিনোদন জগতের নতুন বাস্তবতার সূচনা—যেখানে কম সংখ্যক জায়ান্ট কোম্পানি পুরো বিশ্বব্যাপী কনটেন্ট উৎপাদন ও বিতরণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
