বাম হাঁটুর গুরুতর চোট নিয়েও মাঠে নেমে নেইমার দেখালেন অবিশ্বাস্য সাহস। সান্তোসের অবনমন এড়ানোর লড়াইয়ে পাশে দাঁড়াতে তিনি চিকিৎসকদের বিশ্রামের পরামর্শ উপেক্ষা করেন। আর সেই সিদ্ধান্তেই রোববার জুভেনতুদেকে ৩–০ ব্যবধানে হারানোর সব গোল আসে তাঁর পা থেকে।
দ্বিতীয়ার্ধের ১৭ মিনিটের ঝড়ে তিনটি গোল করেন নেইমার—একটি কাউন্টার অ্যাটাকে, একটি নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এবং একটি পেনাল্টি থেকে। এর ফলে সান্তোস অবনমনসীমার ওপরে দুই পয়েন্টে উঠে আসে। সামনে তাদের শেষ ম্যাচ ক্রুজেইরোর বিপক্ষে; জয় পেলেই প্রথম বিভাগে থাকা নিশ্চিত হবে।
এপ্রিল ২০২২ সালের পর এটিই নেইমারের প্রথম হ্যাটট্রিক। ব্যথাকে জয় করে মাঠে নেমে এমন পারফরম্যান্স তাঁর লড়াইয়ের মানসিকতাকেও নতুনভাবে তুলে ধরেছে।
